নিজস্ব সংবাদদাতা ।। ঢাকার কোতয়ালী থানার শাখারী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে যশোরের বেনাপোলে স্বর্ণ কেলেঙ্কারীর ঘটনায় অপহৃত ওমর ফারুক ওরফে সুমন-কে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকা ৩ খলনায়ক-কে আটক করছে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।
শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপন কুমার সরকার,পিপিএম (বার)। এসময় তিনি বলেন, এসআই মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে সংগীয় ফোর্সের সমন্বয়ে একটা চৌকস টিম গতকাল বৃহস্পতিবার রাত্র সাড়ে ৯ টার সময় ঢাকার কোতয়ালী থানার শাখারী বাজার এলাকা থেকে ঘটনায় সঙ্গে জড়িত ৩ জন-কে সিসিটিভিতে প্রাপ্ত ফুটেজ দেখে ঘটনায় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসসহ ৩ একজন-কে আটক করছে।
আটককৃতরা হলেন, ১। ডালিম কুমার দাস (৩৩), পিতা সুনিল চন্দ্র দাস,গ্রাম-আলিকামুড়া,থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা, ২। অঞ্জন নিয়োগি (৪৯),পিতা- ঠাকুরদাস নিয়োগিগ্রাম-রসুলপুর,থানা-দেবিদার, জেলা-কুমিল্লা, ৩। রিয়াজ হোসেন (৩৮),পিতা-দৌলত মুন্সি,গ্রাম-বাঁশবাড়িয়া,থানা-দশমিনা,জেলা- পটুয়াখালী।
যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এসআই মুরাদ হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়,স্বর্ণ চোরাকারবারীদের ২৫টি বার অনুমান ৩ কেজি স্বর্ণ খোয়া যাওয়ায় স্বর্ণ চোরাকারবারী চক্রের হোতা পৌর কমিশনার কামাল গং ভিকটিম সুমন-কে সন্দেহজনক আটক করে মারধর করে। তাদের অপচেষ্টায় স্বর্ণ না পেয়ে তাকে হত্যা করে এবং লাশ মাগুরা সদর থানার রামনগর এলাকায় ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে দেয়।
উক্ত বিষয়ে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপন কুমার সরকার,পিপিএম (বার) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,জেলার পুলিশ সুপার জনাব প্রলয় কুমার জোয়ারদার,বিপিএম(বার), পিপিএম মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার এলআইসি টিম জেলায় সংঘটিত বিভিন্ন চুরি,ডাকাতি, অপহরণ,হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ অবৈধ অস্ত্রগুলি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের শপথ-দেশের মানুষ-কে রাখবো নিরাপদ,সত্য উদঘাটনে বদ্ধ পরিকর,যশোর জেলা পুলিশ”
এবিডি.কম/রাজু